26 Haziran 2017 Pazartesi

BARBARIC ISLAM


প্রসঙ্গঃ "সম্প্রতি ইসলামিক পাকিস্তানে সকল আরব দেশের মতন, স্বামীকে বৌ পেটানোর আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।"
...বউ পেটানোর জন্য ধর্মগ্রন্থ লাগে না। যেটা লাগে সেটা হচ্ছে রুচি! নোংরা মানসিকতার লোকই বউয়ের গায়ে হাত তোলে। কিন্তু যখন কোন ধর্ম এ ধরণের পেটানোর কথা বলে আর সেটা কোন রাষ্ট্র সেই ধর্মীয় বিধানকে আইনে পরিণত করে সেটি সভ্য সমাজের জন্য লজ্জ্বার।
...দুঃখজনক হলো মুসলিম কমিউনিটির কোনকালেই লজ্জ্বা বলতে জিনিসটি ছিল না। মুসলিম বিশ্ব নারীদের নুন্যতম অধিকার দিতে চায় না, সৌদি নারীরা স্বামী বা পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ দূরে থাক একা ড্রাইভারের সঙ্গে গাড়িতে চড়তে পারে না- এসব মুসলিমদের কোনভাবেই লজ্জিত করে না।
...আমি নিশ্চিত পাকিস্তানের কেউই তাদের দেশের বউকে পেটানোর যে আইন পাসের সুপারিশ করেছে তাতে সামান্যতম লজ্জ্বা পায়নি। বরং কেউ যদি এই আইনের বিরুদ্ধে কথা বলে তাহলে তাদের মধ্যেই সাহসী, ধর্মের জন্য নিবেদিত প্রাণ কোন ঈমানদার তাকে হত্যা করে ফেলবে। আর বাকীরা হত্যাকারীর পক্ষে দাঁড়াবে…।
...সব ধর্মেই এইরকম নারী নিপীড়ণ, অসভ্য, বর্বর বিধান রয়েছে কিন্তু সেই সব ধর্মের অনুসারীরা এসব বিধান নিয়ে এখন আর আলোচনা করে না। তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেও তারা এইসব ধর্মীয় মতামতকে আইন বানাতে যায় না।
...ভারত মনুর বিধানকে আইন বানায়নি। খ্রিস্টান, বৌদ্ধরা যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানেও তাদের ধর্মীয় বিধি বিধানকে আইন হিসেবে গ্রহণ করেনি। এমনকি ইহুদীদের একমাত্র ধর্মীয় রাষ্ট্র ইজরাইলও তাদের দেশকে ধর্মনিরপেক্ষ আইনে চালায়। আজকের যুগে ইউরোপ তো দূরে থাক, উপমহাদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল ব্যতিত কোথাও ধর্মীয় বিধানকে মানুষের পারিবারিক জীবনে চাপিয়ে দেয়ার নজির নেই। কিন্তু মুসলিমদের কথা ভিন্ন।
...পাকিস্তানের মত কোন ইসলামী কাউনিন্স যখন এরকম ইতর আইন পাসের দাবী জানায় তখন বেশির ভাগ চুপ করে থাকে। বরং কেউ বাধা দিতে চাইলে ধর্মানুভূতিতে আঘাত পায়। গোটা বিশ্বের কাছে নিজেদের নারীদের নিয়ে এরকম একটা আইনের কথা বলেও বিন্দু পরিমাণ লজ্জ্বাশরমে তারা আক্রান্ত হয় না!
...মুসলিমরা যতদিন কুরআনের এই সমস্ত ইতর আইনকে নিজেদের দেশে প্রতিষ্ঠা করতে যাবে ততই বেশি করে তাদের নবীকে, তাদের কুরআনকে আলোচনায় নিয়ে আসবে। আজকের দিনে ইসলাম ধর্মকে নিয়ে এত আলোচনার কারণই হচ্ছে এই ধরণের বিতর্কিত বিধি-বিধানকে আধুনিক সভ্য বিশ্বে প্রয়োগের চেষ্টা।
...দেখে নেওয়া যাক বউ পেটানোর জন্যে কোরান কি নির্দেশ দিয়েছে-
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاء بِمَا فَضَّلَ اللّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُواْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِّلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللّهُ وَاللاَّتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَاهْجُرُوهُنَّ فِي الْمَضَاجِعِ وَاضْرِبُوهُنَّ فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلاَ تَبْغُواْ عَلَيْهِنَّ سَبِيلاً إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلِيًّا كَبِيرًا
অর্থাৎ- "পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।"
কোরান- (সূরা আন নিসা-৩৪)
লিখেছেন- 


Hiç yorum yok:

Yorum Gönder

Bir An Önce Tanışmanız Gereken Şifası Kendinden Büyük Bir Besin: Arı Poleni

İsmini belki de ilk defa duydunuz ya da hali hazırda karşılaşıp güzelliklerinden ve şifasından pek de haberdar değilsiniz. Yazının geri...