বাঙালী হিন্দুর টুকরো ইতিহাস---
...দেশ ভাগ হয়েছে, ঐ সময়ের বাংলা মাসিক পত্রিকা বসুমতির ১৩৫৭ সন - ইংরেজীর ১৯৫০ - মারফত পূর্ব পাকিস্তানের হিন্দুদের খবর এসে পৌছাচ্ছে কলকাতায় - বরিশাল - ফরিদপুর - রাজশাহী - পাবনা দিনাজপুরের হিন্দুদের উপর অত্যাচার চরমে উঠেছে। হিন্দুরা তাঁদের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের মেয়ে বউ, বোনকে মুসলিমদের ডেরায় পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে।
...পূর্ব পাকিস্তানের পাবনা জেলার 'বেরা' গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু ডাক্তার বাস করতেন তাঁর প্রাণের অধিক প্রিয়তমা একমাত্র কন্যা আর স্ত্রী কে নিয়ে।
...১৬ ই জুন ১৯৫০ রাত ১২ টার সময় ৫ জন মোল্লা আসে একজন সিরিয়াস রোগীর জন্যে ডাক্তার বাবুকে নিয়ে যেতে। রাত একটায় আবার মোল্লারা এসে তাঁর স্ত্রীকে বলে ডাক্তার বাবু অজ্ঞান হয়ে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে ঐ রাতে উনার স্ত্রী ছুটে যান মোল্লাদের ডেরায়। কিছু দূরে গিয়ে তারা ঐ ডাক্তারের সাথে তাঁর স্ত্রীকেও বন্দী করে বলেন, "ঐ পাঁচ মোল্লার একজনের সঙ্গে তাঁদের ১৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে দিতে হবে। তারা জড় পদার্থের মতন তখন সম্মতি দিতে বাধ্য হন।"
...এর পরে ১৮ ই জুন ১৯৫০ তে মেয়েটি অত্যন্ত অসুস্থ হওয়ায় তাঁর ডাক্তার পিতাকে ডাকা হয়। তিনি এসে নিজের চোখে দেখেন তাঁর প্রাণাধিক প্রিয়তমা কন্যার নিম্নাঙ্গ ভয়ানক অত্যাচারে অসাড় হয়ে গেছে। হিন্দু ডাক্তার পিতা বুকে পাথর চেপে ঔষধ দেওয়ার নাম করে চোখ বন্ধ করে একটা বিষ ইঞ্জেকশন দিলেন মেয়েকে শেষ বারের মতন চোখ বন্ধ করে চোখের জলে।
...এর পরে তিনি আর তাঁর স্ত্রী বিষ খেয়ে হিন্দু কন্যার পিতা মাতা হবার জ্বালা জুরালেন।
...পূর্ব পাকিস্তানের পাবনা জেলার 'বেরা' গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু ডাক্তার বাস করতেন তাঁর প্রাণের অধিক প্রিয়তমা একমাত্র কন্যা আর স্ত্রী কে নিয়ে।
...১৬ ই জুন ১৯৫০ রাত ১২ টার সময় ৫ জন মোল্লা আসে একজন সিরিয়াস রোগীর জন্যে ডাক্তার বাবুকে নিয়ে যেতে। রাত একটায় আবার মোল্লারা এসে তাঁর স্ত্রীকে বলে ডাক্তার বাবু অজ্ঞান হয়ে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে ঐ রাতে উনার স্ত্রী ছুটে যান মোল্লাদের ডেরায়। কিছু দূরে গিয়ে তারা ঐ ডাক্তারের সাথে তাঁর স্ত্রীকেও বন্দী করে বলেন, "ঐ পাঁচ মোল্লার একজনের সঙ্গে তাঁদের ১৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে দিতে হবে। তারা জড় পদার্থের মতন তখন সম্মতি দিতে বাধ্য হন।"
...এর পরে ১৮ ই জুন ১৯৫০ তে মেয়েটি অত্যন্ত অসুস্থ হওয়ায় তাঁর ডাক্তার পিতাকে ডাকা হয়। তিনি এসে নিজের চোখে দেখেন তাঁর প্রাণাধিক প্রিয়তমা কন্যার নিম্নাঙ্গ ভয়ানক অত্যাচারে অসাড় হয়ে গেছে। হিন্দু ডাক্তার পিতা বুকে পাথর চেপে ঔষধ দেওয়ার নাম করে চোখ বন্ধ করে একটা বিষ ইঞ্জেকশন দিলেন মেয়েকে শেষ বারের মতন চোখ বন্ধ করে চোখের জলে।
...এর পরে তিনি আর তাঁর স্ত্রী বিষ খেয়ে হিন্দু কন্যার পিতা মাতা হবার জ্বালা জুরালেন।


Hiç yorum yok:
Yorum Gönder